ADS BY VOICE

বাংলাদেশে করোনা ভাইরাস সংক্রমণের প্রক্ষেপণ

- 1 month ago 0 Muallim Ibrahim -

সারা বিশ্বে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণের মহামারী চলছে। সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে রাষ্ট্রনায়ক পর্যন্ত সবাই শঙ্কিত। কেউ জানে না কবে এটা শেষ হবে, কত মানুষ আক্রান্ত হবে, কতজন মারা যাবে। এর মাঝে বিভিন্ন বিশেষজ্ঞ বিভিন্ন গাণিতিক মডেল ব্যবহার করে এই সংক্রমণ নিয়ে মানুষকে একটা মোটামুটি ধারণা দিচ্ছেন।

ADS BY GOPRIME

জাপান প্রবাসী গবেষক বিজ্ঞানী ড. তপন পালও বিভিন্ন গাণিতিক ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মডেল তৈরি করে বাংলাদেশে করোনা ভাইরাস সংক্রমণের একটা প্রক্ষেপণ (প্রজেকশন) তৈরি করেছেন। তিনি গত ২১ এপ্রিল প্রাথমিক মডেলের মাধ্যমে বাংলাদেশের সংক্রমণ সম্পর্কে মোটামুটি একটা ধারণা দিয়েছিলেন। এরপর দেশ ও বিদেশের বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করে বিভিন্ন পরিস্থিতির এগারোটা মডেল তৈরি করে প্রত্যেক মডেলের একটা প্রক্ষেপণ দিয়েছেন যা নিচের ওয়েবসাইটে আছে।

ড. তপন পালের প্রক্ষেপণ অনুযায়ী মার্চ-সেপ্টেম্বর মাসে বাংলাদেশে প্রায় দশ লাখ মানুষ করোনা ভাইরাসে সংক্রমিত হতে পারে। কিন্তু সংক্রমিতদের একটা বিশাল অংশের রোগের কোনো উপসর্গ দেখা দেবে না এবং পরীক্ষা না করার কারণে শনাক্ত হবে না। ১৯ মে এ সংক্রমণের পিক হবার এবং ২০ আগস্টের পরে প্রতিদিন নতুন সংক্রমণের সংখ্যা ১০-এর নিচে নেমে আসার সম্ভাবনা আছে। এই সময়ে পাঁচ হাজার থেকে ২০ হাজার মানুষ করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা যাওয়ার আশঙ্কা আছে। আর এই সময়ে বাংলাদেশে তিন লাখ ২০ হাজার থেকে ১১ লাখ ২০ হাজার নমুনার টেস্ট হতে পারে এবং ৩৮ হাজার থেকে এক লাখ ৩৫ হাজার করোনা রোগী শনাক্ত হতে পারে।

ড. তপন পালের গবেষণা অনুযায়ী বর্তমানে বাংলাদেশে সংক্রমনের হার দুই এর অধিক; মানে, করোনা ভাইরাসে সংক্রমিত একজন রোগী দুইজনের অধিক ব্যক্তিকে সংক্রমিত করেছে। এই সংখ্যা যত বাড়বে আক্রান্তের সংখ্যা ততো বাড়বে এবং সংক্রমণের পিকও দেরিতে হবে। এছাড়া ড. তপন পাল কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার পাঁচটি মডেলের মাধ্যমে প্রতিদিন বাংলাদেশে করোনা রোগী শনাক্তের সংখ্যা, মৃতের সংখ্যা ও সুস্থ হয়ে উঠা রোগীর সংখ্যার একটা পূর্বাভাস একদিন আগে দিচ্ছেন। কয়েকটি ব্যতিক্রম ছাড়া তার পূর্বাভাস প্রকৃত সংখ্যার কাছাকাছি যাচ্ছে।

(ঢাকাটাইমস/৩০এপ্রিল/কেএম)

0%

0%

0%

0 Comments

খবর